দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে পা বাঁধা অবস্থায় মিরান (২০) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ১১ দিন আগে জামালপুরের মাদারগঞ্জ থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার কুষ্টিয়া ইউনিয়নের নামাপাড়া এলাকায় বিদ্যাগঞ্জ খেয়াঘাটের প্রায় ২০০ গজ পূর্ব দিক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মিরান জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চর পাকেরদহ গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে। তিনি নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ব্রহ্মপুত্র নদে পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশ মরদেহের পকেট থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করে। ওই পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে স্বজনদের খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে জামা-কাপড় ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে মরদেহটি মিরানের বলে শনাক্ত করেন।
স্বজনরা জানান, গত ২২ জুলাই মিরান রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। ২৭ জুলাই তার স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে শেষ কথা হয়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এর আগেও তিনি কয়েকবার রাগ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে কয়েকদিন পর ফিরে আসতেন। এ কারণে এবার থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি করা হয়নি।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, মিরানকে তার নিজ এলাকায় হত্যা করে ব্রহ্মপুত্র নদে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। পরে মরদেহটি ভেসে ময়মনসিংহে এসেছে।
তিনি জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
যে আই